রাজশাহীর বাগান থেকে সরাসরি আপনার ঘরে

রাজশাহীর সেরা আম বাগান থেকে সংগ্রহ করা বাছাইকৃত টাটকা আম, নিরাপদ প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত হোম ডেলিভারি কিংবা নিকটস্থ কুরিয়ার পয়েন্টে পৌঁছে দেওয়া হয়।

হিমসাগর

আমাদের সংগ্রহ

মৌসুমের সেরা আম

রাজশাহীর সেরা আম বাগান থেকে হাতে বাছাই — প্রতিটি আমে আছে খাঁটি স্বাদ, ঘ্রাণ ও রাজশাহীর ঐতিহ্যের ছোঁয়া।

সর্বনিম্ন অর্ডার ১০ কেজি

সাধারণ প্রশ্ন

আপনার প্রশ্নের উত্তর

যা জানতে চান — সবকিছুর উত্তর এখানে

হ্যাঁ, ১০০% নিশ্চিত। আমাদের সব আম প্রাকৃতিকভাবে গাছে পাকানো। কোনো রাসায়নিক, কার্বাইড বা ফরমালিন ব্যবহার করা হয় না। আপনি চাইলে পরীক্ষাও করতে পারেন।

আম রাজশাহী থেকে সরাসরি পাঠানো হয়, তাই ডেলিভারিতে সাধারণত ৪-৫ কার্যদিবস লাগে। ঢাকা ও আশেপাশের জেলায় ৩-৪ দিন, দূরবর্তী জেলায় ৫-৭ দিন লাগতে পারে। সঠিক ডেলিভারি তারিখ অর্ডার কনফার্মের সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।

অর্ডার কনফার্ম হওয়ার পর মোট মূল্যের ৫০% অগ্রিম bKash বা Nagad-এ পাঠাতে হবে। বাকি ৫০% ডেলিভারির সময় পরিশোধ করতে হবে। পেমেন্ট নিশ্চিত হলে শিপমেন্ট শুরু হয়। ডেলিভারি দুইভাবে পাওয়া যায় — নিকটস্থ সুন্দরবন/AJR কুরিয়ার পয়েন্ট থেকে সংগ্রহ (বিনামূল্যে) অথবা হোম ডেলিভারি (অতিরিক্ত ৳১৫/কেজি)।

ডেলিভারির সময়েই প্যাকেট খুলে দেখুন। কোনো আম নষ্ট থাকলে সাথে সাথে ডেলিভারি ব্যক্তিকে জানান অথবা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের কল করুন। ১০০% রিপ্লেসমেন্ট বা টাকা ফেরত পাবেন।

ডিফল্ট হিসেবে আমরা আধা-পাকা আম পাঠাই, যাতে ১-২ দিনে সম্পূর্ণ পেকে যায়। আপনি চাইলে অর্ডার নোটে "একদম পাকা" বা "কাঁচা" উল্লেখ করতে পারেন।

সর্বনিম্ন ১০ কেজি অর্ডার করতে হবে। নিকটস্থ কুরিয়ার পয়েন্ট থেকে সংগ্রহ করলে ডেলিভারি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। হোম ডেলিভারিতে অতিরিক্ত ৳১৫/কেজি চার্জ প্রযোজ্য।

বাংলাদেশের সব জেলায় ডেলিভারি দিই। ঢাকার ভেতরে নিজস্ব ডেলিভারি টিম, ঢাকার বাইরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে।

প্যাকিং শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় ক্যানসেল করতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপ বা কলে জানালেই হবে।

আরো প্রশ্ন আছে?

আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন — সাহায্য করতে প্রস্তুত

যত্নের গাইড

আম পাওয়ার পর কীভাবে রাখবেন

কেমিক্যালমুক্ত আম সংবেদনশীল — সঠিক যত্নে রাখলে পুরো স্বাদ পাবেন। নিচের গাইডটি একবার পড়ে নিন।

কেমিক্যালমুক্ত আম সংবেদনশীল। সঠিক যত্নে রাখলেই পুরোপুরি স্বাদ পাবেন।

  • 1প্যাকেট খুলে দ্রুত আম বের করুন; ভেজা/আদ্রতা থাকলে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে নিন।
  • 2পরিষ্কার খড়, পাটের বস্তা, কাঠের তক্তা বা মোটা পেপারের উপর আম রাখুন।
  • 3পাকানোর জন্য গরম ও শুষ্ক ঘর বেছে নিন — বদ্ধ স্টোর রুম সবচেয়ে ভালো।
  • 4পরিবহনে আঘাত পাওয়া আম আলাদা করে রাখুন — এগুলো আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
  • 5AC রুম বা খোলা বারান্দায় পাকাতে দেবেন না।
  • 6দিনে কয়েকবার চেক করুন — আঙুল চাপ না দিয়ে ঠোকা দিন। টক-টক মানে কাঁচা, ঠস-ঠস মানে পাকা।
  • 7কেমিক্যালমুক্ত পাকা আমের মন কাড়া সুগন্ধ থাকে — সুগন্ধ পেলেই দ্রুত খেয়ে ফেলুন।
  • 8বেশি পেকে গেলে বোঁটা কেটে পলিথিনে ভরে ফ্রিজে রাখুন — ৫-৭ দিন ভালো থাকবে।

এই ভুলগুলো এড়িয়ে চললে আম নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যাবে।

  • 1আম পানিতে ধুবেন না বা গরম পানির ট্রিটমেন্ট করবেন না — ঠিকমতো পাকবে না।
  • 2বাক্স, বালতি বা ক্যারেটের ভেতর গাদা করে রেখে পাকাতে দেবেন না।
  • 3ঠান্ডা মেঝের উপর সরাসরি আম রাখবেন না — কিছু অংশ কাঁচা থেকে যাবে।
  • 4আমের আঠা ত্বকে লাগলে সঙ্গে সঙ্গে সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন; ৮-১০ মিনিটেই ক্ষত তৈরি হতে পারে।
  • 5চোখে লাগলে দ্রুত প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন; প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  • 6সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত আম ফেলে দেবেন না — ভালো অংশ সিদ্ধ করে আমসত্ত্ব বানানো যায়।

১-২ দিনের মধ্যে পাকা আম খেতে চাইলে এই পদ্ধতি।

  • 1একটি কাগজের ব্যাগে আম ভরুন।
  • 2প্রতি ১০টি আমের সঙ্গে ১টি ফরমালিনমুক্ত আপেল/কলা/টমেটো রাখুন।
  • 3ব্যাগের মুখ ভালোভাবে বেঁধে গরম স্থানে রাখুন।
  • 4ইথিলিন গ্যাসে ১-২ দিনে আম খাওয়ার উপযোগী হয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইলে এভাবে রাখুন।

  • 1পুষ্ট কাঁচা আম শ্যাওড়া, লাউ-কুমড়া বা কলাপাতা দিয়ে ঢেকে রাখুন।
  • 2অথবা কুসুম গরম পানিতে ৫-৬ মিনিট ধুয়ে নিন — কয়েকদিন বেশি সংরক্ষণ করা যাবে।

তরকারি বা লবণ-মরিচ মাখিয়ে খাওয়ার জন্য কাঁচা আম দীর্ঘদিন রাখুন।

  • 1আমের গায়ে সরিষার তেল মাখিয়ে রাখলে কয়েকদিন কাঁচা থাকবে।
  • 2বোঁটা কেটে ফ্রিজের ডিপে রাখলে অনেক দিন ভালো থাকে।